Pages

Showing posts with label ভালোবাসার টিপস. Show all posts
Showing posts with label ভালোবাসার টিপস. Show all posts

Tuesday, 7 January 2020

পুরুষের আত্মকাহিনী

🙇...... পুরুষের আত্মকাহিনী ......... 🙇


Image may contain: one or more people and people sitting
মেয়েরাও পড়বে, একটু হলেও বুজবে
ছেলেরা মাসে ১০,০০০/=টাকা বেতনে চাকরি করে!
বাবার পকেটে খরচের জন্য ১৫০০/=!
মায়ের ওষুধের জন্য ১৫০০/=!
বউয়ের জন্য ১০০০/= টাকা!
ফ্যামিলি চালানোর জন্য ৪০০০/= বিকাশ
করেও!
দিব্যি ২০০০/= টাকায় মাস চালিয়ে নিতে জানে।
মাসে ১০,০০০/=টাকা মাইনের ছেলেটা বেতন পেয়ে! বউয়ের কাছে বলতে জানে " তোমার জন্য
কি পাঠাবো...?
সামান্য বেতন পাওয়া যে ছেলেটা নিজের পুরনো জুতো বদলাবে ঠিক করেছে , সেই ছেলেটাই মার্কেটে গিয়ে পরিবার আর বাবুর
জন্য জুতো কিনে নিজের ছেঁড়াজুতো সেলাই করে মাসের-পর-মাস পড়তে জানে।
উপোস পেটে কাজে গিয়ে মাকে বলতে জানে আমি
মাছ দিয়ে ভাত খেয়েছি তোমরা খেয়েছো তো...?
১০৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে কাজে গিয়ে বাবাকে বলে
' আমি অনেক ভালো আছি তোমরা ভালো আছো তো..?
নিজের পকেট ফাঁকা জেনেও বউকে বলে ' একটু
ধৈর্য ধরো সামনের মাসে তোমার জন্য একজোড়া বালা কিনে দিব',,,,
ছেলেরা এমনই অনেক অনেক কিছু জানে,,,,,,,
সকালবেলা লোকাল বাসে ঝুলে অফিসে যেতে জানে,
লেট হলে বসের ঝাড়ি খেতে জানে,৫ টার অফিস রাত ৮ টা পর্যন্ত করতে জানে,
অফিস থেকে ফিরতে লেট হলে বউয়ের,বাচ্চার,মা বাবার কাছে জবাব দিতে জানে,
রিস্কা ভাড়া বাচিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ী আসার পথে বাবুর জন্য মজা কিনতেও জানে।
শুধু জানে না প্রকাশ্য চোখের জল ফেলতে
ছেলেদের জীবন মানেই কষ্ট
আপনার মতামত আশা করছি
ধন্যবাদ সবাইকে। শেষ_কথা। 😭😭😭👈এটাই হলাম আমরা ছেলেরা।


Friday, 4 October 2019

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার নাম হেলেন। এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু Stefanie Isak নামটি আমরা অনেকেই জানি না। ১৬ বছরের এই ইহুদী মেয়েটির কারণে সারা দুনিয়া ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছিল।
১৯০৬ সাল, ভিয়েনা শহরে বসবাসরত মেয়েটির বয়স তখন ১৬। ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন রাস্তার ধাঁরে বসে থাকা এক আর্টিষ্ট কে দিয়ে শখ করে মেয়েটি তার একখানা পোট্রেট বানালো। অসম্ভব রূপবতী এই নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে আর্টিষ্ট তার প্রেমে পড়ে গেল।
আর্টিষ্ট এর বয়স তখন ১৮। ছেলেটির স্বপ্ন চিত্রশিল্পী হওয়া। একাডেমি অব ফাইন আর্টস্ ভিয়েনা (Academy of Fine Arts Vienna) তে চেষ্টা করছে ভর্তি হবার জন্য। কিন্তু পারছে না। ছেলেটির অবসর কাটে রাস্তার ধাঁরে ছবি একে। আবার মাঝে মাঝে পথচারীদের পোট্রেইট এঁকে দু চার পয়সা রোজগার করে।
শিল্পীদের মন অনেক রোম্যান্টিক হয়। এটাই স্বাভাবিক। তো পরদিন মেয়েটিকে সে প্রোপোজ করে। মেয়েটি হা কিংবা না, কিছুই বলেনা।
ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির বাড়ির সামনে গিয়ে বসে থাকতো। একপলক দেখার জন্য। বিশাল বাড়িটি উচু প্রাচীরে ঘেরা। বিশাল লোহার গেট। মাঝে মাঝে ছেলেটি তার পোষা কুকুরকে গেটের ফাঁক দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিত বাড়ির ভিতরে। কুকুরটির মুখে থাকত প্রেম পত্র।
কুকুরটি ছিল ছেলেটির অনেক প্রিয় ভিয়েনা আসার সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল। বলা যায়, কুকুরটি ছিল মায়ের দেয়া শেষ উপহার। কারণ, এইপর আর কোনদিন ছেলেটির দেখা হয়নি তার মা ক্লারা (Clara) এর সাথে। তিনি মারা যান। মেয়েটির পরিবার বিষয়টি আমলে নিলো। ছেলেটি চাল চুলোহীন, রাস্তার ছেলে। তার উপরে non-Jewish… এই সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয়। আর ছেলেটির 'ভবিষ্যৎ' বলে কিছু নেই। তারা ছেলেটিকে বারবার বারণ করে দিলো। কিন্তু প্রেম কি আর বারণ শোনে?
ছেলেটি সুযোগ পেলেই মেয়েটিকে দূর থেকে দেখতো। উত্তর না এলেও প্রেম পত্র দিতো। তো একদিন প্রেমপত্র সমেত কুকুরটিকে আবার পাঠালো মেয়েটির বাড়িতে। কিন্তু এইদিন আর কুকুরটি ফিরে এল না। ছেলেটি সারারাত অপেক্ষা করে, সকালে চলে গেল। পরদিন আবার মেয়েটির বাড়ির সামনে গেল। বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে ছেলেটি তার সেই প্রিয় কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল। নির্মমভাবে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
সেইদিন কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটি চলে এলো। আর কোনদিন ঐ বাড়ির সামনে যায় নি সে। চালচুলোহীন ওই রাস্তার ছেলেটি পরে যা করেছিলো তা ইতিহাস! বলা যায় রাস্তার সেই ছেলেটি নিজ হাতে গত শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে এমনকি,
পরবর্তীতে তার পোষা কুকুর Blondi, এতটাই বিখ্যাত হয়েছিল যে তার wiki page এর সাইজ অনেক বিখ্যাত সেলিব্রেটিদের চেয়ে বড়!!
অনেক পরে মেয়েটি নাকি বলেছিল, সে ছেলেটিকে মনে মনে ভালবাসত। সাহস করে বলতে পারে নি। যাই হোক, ছেলেটির
নাম ছিল - 'এডলফ হিটলার'! হ্যা; হিটলার ছোটবেলায় পোষ্ট কার্ড আঁকিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
১.জনসংখ্যা (২০১৮, প্রাক্কলিত)-১৬৩.৭ মিলিয়ন
২. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার,২০১৭- ১.৩৭%
৩. পুরুষ-মহিলা অনুপাত,২০১৭- ১০০.২
৪.জনসংখ্যার ঘনত্ব/বর্গ কিমি - ১১০৩ জন
৫. স্থূল জন্মহার (১০০০ জনে) - ১৮.৫
৬.স্থূল মৃত্যুহার (১০০০ জনে) - ৫.১
৭. এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার (১০০০ জনে)- ২৪
৮. প্রত্যাষিত গড় আয়ুষ্কাল, ২০১৭ - ৭২ বছর
(পুরুষ - ৭০.৬, মহিলা - ৭৩.৫)
৯. ডাক্তার ও জনসংখ্যার অনুপাত - ১ঃ ১৭২৪
১০. স্বাক্ষরতার হার - ৭২.৩%
(পুরুষ- ৭৪.৩, মহিলা- ৭০.২)
১১. দারিদ্র্যের হার - ২১.৮% ১২. চরম দারিদ্র্যের হার- ১১.৩%
১৩. চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয়(মা: ডলারে)- ১৯০৯
১৪. চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি(মা: ডলারে)- ১৮২৭
১৫. স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার -৮.১৩
১৬. মোট শ্রমশক্তির শতকরা হারঃ
(ক) কৃষি-৪০.৬
(খ) শিল্প - ২০.৪
(গ) সেবা- ৩৯
১৭. মূল্যস্ফীতি গড়(জুলাই-মার্চ,২০১৯)­- ৫.৪৪
১৮. মোট ব্যাংকের সংখ্যা- ৫৯ ক. রাষ্ট্র মালিকানাধীন - ৬ খ. বিশেষায়িত- ৩
গ. বেসরকারি- ৪১
ঘ. বৈদেশিক-৯
ঙ. আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত) -৩৪
১৯.খাত সমূহের অবদানঃ
ক. কৃষি- ১৩.৬০*
খ. শিল্প- ৩৫.১৪
গ. সেবা- ৫১.২৬

Some translation that we must know-পরিবেশ টা সুন্দর না?

Some translation that we must know
1.পরিবেশ টা সুন্দর না?
=> Isn't the environment beautiful?
2.কোন হৈ চৈ আছে?
=>Is there any noise?
3.আমিকি কাওকে গালি দিয়েছি?
=> Did i abuse anyone?
4.কাহারো বিরুদ্ধে বলিয়াছি?
=>Did i talk against anyone?
5.তারপরও একদল লোক বলবে তাহেরি ভালা না
=> Although a group of people will say Taheree isn't Good.
6.একটু চা খাচ্ছি
=I am taking tea.
7.আপনারা খাবেন?
=will you take?
8.ঢেলে দিব? ঢেলে দেই?
=Dele Dibo?? Dele Dei??

Thursday, 28 February 2019

যে ছেলেটা নিজের কেরিয়ার গ​ড়ার চেষ্টায় গার্ল ফ্রেণ্ডকে বললো, “এখন বিয়ে করতে পারবো না


Image result for gf and bf

যে ছেলেটা নিজের কেরিয়ার গ​ড়ার চেষ্টায় গার্ল ফ্রেণ্ডকে বললো, “এখন বিয়ে করতে পারবো না”, বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর সে কক্ষণো কাজে মন দিতে পারে নি।
যে মেয়েটা আরও স্বাধীন ভাবে বাঁচবে বলে বাড়ি ছেড়ে অন্য শহরে চলে এসেছে সারাদিন ঘুরে ঘুরে জীবনটাকে উপভোগ করার ইচ্ছে নিয়ে, সে এখন সবসম​য় বাড়িতে একলা বসে থাকে আর ভাবে মা বাবাকে একটা ফোন করা ঠিক হবে কিনা ।
যে ছেলেটা, বউয়ের মুখ ঝামটায় অতিষ্ঠ হ​য়ে দূরে চলে গেছে, শুধু এই ভেবে যে একলা থাকলে বেশি লেখার সম​য় পাওয়া যাবে, সে আর কোনোদিন আগের মত ছন্দ মিলিয়ে তুখোড় লাইন লিখতেই পারে নি ।
যে মেয়েটা মায়ের সাথে ঝগ​ড়া করে নিজের ইচ্ছেমত বৃষ্টিতে ভেজার হুমকি দিয়ে বেরিয়ে গেলো, সে বাড়ি থেকে কিছুদূরে স্টেশনে ছাতার নীচে একা বসেছিলো, কোত্থাও ভিজতে যেতে পারে নি ।
যে ছেলেটা একলা সিকিমে এডভেঞ্চারে যাবে বলে বউকে সঙ্গে নিতে চায় নি, সে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যেতে পারে নি, শিয়ালদা স্টেশন থেকেই একা বাড়ি ফিরে বউকে জ​ড়িয়ে সে হাউ হাউ করে কেঁদেছে ।
যে মেয়েটা কাল রাত্রে রাগের চোটে ব্রেক আপ করে বলেছিল​, “তোকে ছাড়া আমি খুব ভালো থাকবো, একদম ফোন করবি না আমায়”, সে আজ সারাক্ষণ ফোনের দিকে হা কিরে চেয়েছিলো, যদি একটা মেসেজ আসে ।
মানুষ একলা বাঁচতে চেয়েও পারে না, তাকে প্রিয়জনের সাথে নিজের মত করে বাঁচতে হ​য় ।
ভালবাসায় আগলাতে হ​য়, ছেড়ে যেতে নেই ।
-------অরুণাশিস সোম
https://www.youtube.com/channel/UC9EndGTcSVgfW20n0Hr9mkg

Saturday, 28 January 2017

মানুষের ভালবাসার চেয়ে টাকার মূল্যায়ণ কখনো বেশি হতে পারে না

 মানুষের ভালবাসার চেয়ে টাকার মূল্যায়ণ কখনো বেশি হতে পারে না


পৃথিবীতে সেই ভালো যে সব মানুষের ভালবাসা পায়, ক্ষণিকের সুখের জন্য জীবনের বড় সময়টাকে নষ্ট না করে মানুষের ভালবাসা নিয়ে বেচেঁ থাকাটা হলো সবচেয়ে সুখের । তার জন্য প্রতিবাদী পুরুষ হিসাবে যদি না প্রকাশ করা যায়,তাহলে হয়ত অনেকেই মূল্যায়ণ করে না, আর যারা করে শুধু সামনা সামনি আর আড়ালে ঠিকেই গালি দেয় । এখানে নিজের ভাই বা কোনো আস্তীয় হোক অন্যায়ে বিরুন্ধে প্রতিবাদী হওয়া উচিত, আর না হলো নিজের সন্তানের জন্য একটা বিশাল অন্ধকার ভবিষ্য রেখে যায় ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। হয়ত আমি না ঠিক একজন্য এর প্রতিবাদ করবে একদিন । আর তার জন্য জীবনে চরম মূল্য দিতে হবে নিজের অথবা নিজের সন্তানদের । মানুষের ভালবাসার চেয়ে টাকার মূল্যায়ণ কখনো বেশি হতে পারে না ।
 Mustafizur Rahman

Wednesday, 17 August 2016

নতুন প্রেমের টিপস, মেয়ে পটবে ১০০% সিউর





বেশ কয়েক দিনে ধরে একজনকে খুব ভাল লাগছে। কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছেন না কী করবেন। আসলে আপনি খুব `কনফিউজড`। আপনার এই ভাললাগা অথচ ...তাহলে!

কিছুটা কঠিন সময়ের জন্য থাকল কিছু টিপস---
১) চোখের ভাষা বোঝো---- বেশ কয়েকদিন ধরে তো ওর দিকে দেখছো, ভেবে দেখুন তো একবারও কি চোখের মাধ্যমে কোনও সংকেত আদানপ্রদান হয়েছে কি। যদি 

উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে বলব, এবার বোঝার চেষ্টা করো ওই দুটো চোখ ঠিক কী বলতে চাইছে। উত্তরটা নেগেটিভ নাকি পজেটিভ সেটা মাথা দিয়ে, অঙ্ক দিয়ে ঠান্ডা মাথায় 

বিচার করুন। মনে রাখবে ওই অঙ্কটা কিন্তু আপনার আগামি কটা দিনের জন্য হয়ত বা আজীবনের জন্য খুব গুরত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আর তাই চোখের ভাষাটা শুধু নিজের 

পছন্দের মত করে মানে করবে না, আর চোখের সংকেতকে ভাষায় পরিণত করার কঠিন কাজটা নিজেই করুন, প্লিজ বন্ধুদের সাহায্য নেবে না। এতে বিভ্রান্তি বাড়বে। 

যদি চোখের মাধ্যমে কোনও এখনও কোনও যোগাযোগ স্থাপন না করে থাকেন তাহলে বলব, এখুনি করে ফেলুন। হ্যাঁ, না এসবের কিছু একটা কিছু একটা সংকেত অবশ্যই 

পাবেন। মনে রাখবেন চোখটা মনের আয়না। চোখে অবশ্যই মনের প্রতিফলন পড়বে। এবার আপনার ব্যাপার সেই আয়নার ছবিটাকে আপনি ঠিক কী মানে করবেন।

২) পছন্দের মানুষটার ভালো লাগা-খারাপ লাগাগুলো জানো
-- 
আস্তে আস্তে জানতে থাকো পছন্দের মানুষটা ভাললাগা খারাপ লাগাগুলো ঠিক কীরকম। প্রিয় রঙ, প্রিয় 

সিনেমা, প্রিয় নায়ক- নায়িকা, পছন্দের পোষ্য, হবি এসব মোটা দাগের পছন্দের মধ্যেও অনেক বার্তা থাকে। মনে রেখো কাউকে ভালবাসতে হলে তার ভাললাগাকে ভালবাসতে হয়। এমন কথাটা তো স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন। তাই দেখে নাও তোমার পছন্দের মানুষটার ভাললাগাটা তুমি ভালবাসতে পারবে কি না। হতে পারে তুমি হয়তো একটুকু 

`সেকেলে`, আর তোমার পছন্দের মানুষটা হয়ত লেট নাইট পার্টি আর হেভি ড্রিংকস তত্ত্বে বিশ্বাসি .. কিংবা হয়ত ঠিক তার উল্টোটা... ভেবে দেখো এবার কী এগোতে চাও! 
৩) তাড়াহুড়ো করবেন না---- এমন একটা মনের অবস্থায় সবচেয়ে কঠিন কাজ নিজেকে শান্ত রাখা। নিজের মনের কথা জানানোর আগে কয়েকবার ভেবে নিন তোমার 

ভালবাসাটা অপাত্রে দান হয়ে যাচ্ছে না তো। এতে হয়তো এতে কিছুটা সময় যাবে, কিন্তু মনে রাখবেন ভাল জিনিস পেতে গেলে তাড়াহুড়ো করলে চলে না। এই যে খনি 

থেকে কত কয়লা ভাঙলে তবে একটা হিরে পাওয়া যায়। শ্রমিকরাই বলে, কত কয়লা এমন পড়ে নষ্ট হয়ে যায় যেগুলো শুধু তাড়াহুড়োর কারণেই হিরে আছে কিনা জানা 

যায় না। সম্পর্কস্থাপনের প্রক্রিয়াটাও ঠিক কয়লা থেকে হিরে বের করে আনার মত। তাড়াহুড়ো করলে অনেক দামী জিনিস নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৪) প্রস্তাবের দিন (First Dating)---
 এই দিনটা একটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটায় নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখো। আলাদা করে নিজেকে 

সাজিয়ে রেখো না। তুমি যেরকম সেরকমই নিজেকে উপস্থাপন কর। নিজের পেশা, ভাললাগাগুলো সত্যি সত্যিই বল.. মনে রেখো আমরা অনেক সময় মোড়ক দেখে 

জিনিস কিনি ঠিকই, কিন্তু সেই জিনিসটা ভাল না হলে ব্যবহার করি না শুধুই সাজিয়ে রাখি। তাই মোড়ক নয় আসল আমিটাকেই তোমার প্রিয় মানুষটার সামনে তুলে ধর। 

হতে পারে সেটা তাঁর দারুণ পছন্দের হল না। কিন্তু সততা আর সত্যির একটা আলাদা মুল্য আছে। ভালবাসার ক্ষেত্রে কথাটা বড় বেশি করে সত্যি। 
৫) সত্য রে লও সহজে-- লুডো খেলছে কখনও। তা হলে তো জানোই, এই যে আমরা ডায়াস মানে গুটিটা যখন কোর্টের মধ্যে ছুঁড়ি তাতে ছক্কার পরার সম্ভাবনা থাকে ১/৬ ভাগ। অঙ্ক জিনিসটা বড় কাঠখোট্টা গো, ওসব হিসাবটিসাব মানে না। তুমি যাকে প্রেমের প্রস্তাব করছো তার কাছ থেকে পজেটিভ উত্তর আসার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ। আবার প্রত্যাখানের সম্ভাবনাটাও ওই ৫০ ভাগ। এই অঙ্কটা যদি বুকে পাথর চড়িয়েও মেনে নাও তাহলে ভাল। প্রস্তাবের দিন ওর মুখে না শুনে নিজেকে বদলে ফেল না, জোর করো না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে কথাটা খুব বলতেন সেটা মেনে নাও। সত্য রে লও সহজে... 

আর অবশ্যই উত্তর যদি হ্যাঁ আসে তাহলে একেবারে সপ্তম স্বর্গে উঠে যেও না। মনে রেখো যেই মুহূর্তে উত্তর হ্যাঁ এল তোমার ওপর অনেক দায়িত্ব এল। আসল দায়িত্বটা 

হল যে মানুষটা তোমায় এত বিশ্বাস করে হ্যাঁ বলল, সেই বিশ্বাসটা ফিরিয়ে দেওয়ার। এটা কিন্তু অনেক কঠিন কাজ। 

৬) যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখো-
--
 প্রস্তাব করার পর উত্তর যাই আসুক যোগাযোগ যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখো। জানি কথাটা মুখে বলা অনেক সহজ, করা কঠিন। কিন্তু শুধু তোমার প্রস্তাবে না করেছে বলে তুমি দেবদাস হয়ে পাগলামি করবে কিংবা শক্তি কাপুরের মত ভিতু হয়ে লেজ গুটিয়ে পালাবে এমন কাজ করো না। তবে হ্যাঁ তাকে ভুলে যাওয়ার জন্য কদিন একটু দূরে থাকতেই পারো। 

আর প্রেমের প্রস্তাবের উত্তর হ্যাঁ আসলে ফোন,এসএমএস, মেলের সংখ্যা অতি উত্‍সাহে এমন বাড়িয়ে ফেলো না যাতে সে বিরক্ত হয়। মনে রেখো তুমি যতই ক্ষুধার্ত হও 

বেশি খেলে কিন্তু বদহজম হয়ে যায়।